যখন ফুলতলী ছাহেবের ছেলে আল্লামা হুছাম উদ্দীন চৌধুরী ওয়াজ করেন, উনি ফুলতলী ছাহেব কিবলাহকে দেখেছেন শাহ জালাল (রহঃ) এর সাথে মুসাফাহা করতে। যখন কবি রুহুল আমীন খান ওয়াজ করেন, একজন আলেম স্বপ্নে দেখেছেন ফুলতলী ছাহেব কিবলাহের জানাযায় রাসূল (সাঃ) উপস্থিত হয়েছেন। তখন দোষ হয়ে যায়। এসব ঘটনা বলার কারণে উনারা ভন্ড হয়ে যান। কাফের হয়ে যান। ব্যাবসায়ী হয়ে যান। এসব বিশ্বাস করলে ঈমান চলে যায় ইত্যাদি ইত্যাদি আরও কত ফতুয়া।
(যদিও স্বপ্ন যোগে রাসূল (সাঃ) কে দেখা সম্ভব, এমনকি জাগ্রত অবস্থায়ও দেখা সম্ভব। কোর'আন হাদীসের অকাট্য দলীলের আলোকে প্রমাণীত।)
যখন তারেক মনুয়ার তাফসীর করেন, সাঈদী সাহেবকে চাঁদে দেখা গেছে। আল্লাহর অলীদের চাঁদেও দেখা যায়। (যদিও তারা অলী-আউলিয়া মানেন না। কিন্তু সাঈদী সাহেবকে ঠিক অলী মানেন।) তখন দোষ হয় না।
যখন মুফতী আমীর হামজা তাফসীর করেন, জীবরাঈল (আঃ) উনার কাছে অহী নিয়ে আসেন। তখন দোষ হয় না।
যখন তারেক মনুয়ার তাফসীর করেন, মুফতী শফি সাহেব স্বপ্নে দেখেছেন মরহুম কাদের মোল্লা শহীদ হওয়ার পর আল্লাহর রাসূল (সাঃ) এর সাথে জান্নাতে মুসাফাহা করছেন। তখন দোষ হয় না।
যখন তারেক মনুয়ার তাফসীর করেন, লা ইলাহা ইল্লাল্লার সাথে মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ লেখা শিরিক। আল্লাহ শব্দের সাথে মুহাম্মাদ লেখা শিরিক। এই আজব ফতুয়ার মাধ্যমে সারা মুসলিম উম্মাহকে মুশরিক বানিয়ে ফেলেন যারা এই কালেমা পড়েছে। তখন দোষ হয় না।
যখন তারেক মনুয়ার ফতুয়া দেন, কারো নামের সাথে মাওলানা লেখা শিরিক। এভাবে সমস্ত আলেম সমাজকে মুশরিক বানান। তখন দোষ হয় না। তখন ঈমানও যায় না। কাফেরও হন না। তারা ভন্ড হন না। ব্যাবসায়ীও হন না।
লা মাযহাবি নেতা কাজী ইব্রাহীম যখন ইমাম মাহদী(আঃ)কে সপ্বে ছোট ছোট দাড়ি অবস্হায় দেখে তখন কিছু হয় না!তখন বেদাত শিরিক ফতোয়া কোথায় থাকে?
ওহাবি,সালাফি ভন্ডরা এতো একচোখা,শুধু অপরেরটা দেখে, নিজেরটা দেখে না।
শুধু সুন্নী বন্ধুরা শেয়ার করুন।
বিস্তারিত নিচের লিংকে