Friday, 29 June 2018

আল্লাহপাক রাব্বুল আলামিনের অসংখ্য নিয়ামতের মধ্যে একটি নিয়ামত কচু শাকের উপকারিতা;

কচু শাকের উপকারিতা এবং পুষ্টিগুণ জানলে আপনি অবাক হবেন! !!???? জানতে ছাহিলে এখনই পুরো লেখাটা মোনোযোগ সহকারে পড়ুন! !!????

কচুশাক বাংলাদেশে অতি পরিচিত একটি শাক, বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে কচুশাক খুবই জনপ্রিয়। বাড়ির উঠোনের কোণে, ধানের ক্ষেতের আইলে, বিলের ধারে যত্রতত্র বিনা যত্নে জন্মে বলে কচুশাক সহজেই পাওয়া যায়, কিনে খেতে হয় না। কচুশাক বিভিন্নভাবে খাওয়া হয়। তবে কচুপাতা ভর্তা ও তরকারি বেশি জনপ্রিয়। ইলিশ, চিংড়ি, ছোট মাছ বা শুটকি মাছ দিয়ে কচু শাকের তরকারি বাংলাদেশে খুবই জনপ্রিয়। খুব বেশি সহজলভ্য বলে কচুশাককে অনেকেই গুরুত্ব দিতে চান না। কিন্তু এই কচু শাকই দৈনন্দিন পুষ্টি চাহিদার অনেকখানি পূরণ করতে পারে। কচুশাক ভিটামিন এ-এর খুব ভালো উত্‍স, রাতাকানা রোগসহ ভিটামিন এ-এর অভাবে হওয়া সকল ধরনের রোগ প্রতিরোধে কচুশাক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাছাড়া কচুশাক আয়রনসমৃদ্ধ বলে এর সমাদর অনেক বেশি। আমাদের শরীরে রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে গেলে সব ডাক্তাররাই কচু শাক খাওয়ার পরামর্শ দেন। ভিটামিন এ-এর পাশাপাশি এতে রয়েছে ভিটামিন বি এবং সি-ও। তাই মুখ ও ত্বকের রোগ প্রতিরোধেও কচুশাক সমান ভূমিকা রাখে। এতে রয়েছে উচ্চমাত্রায় পটাশিয়াম, তাই হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকিও কমায়। আসুন আমরা জেনে নেই কচু শাক এর উপকারিতা এবং পুষ্টিগুণের কথা।

কচুশাকের পুষ্টিগুণ
কচু শাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এবং খনিজ উপাদান সমূহ। প্রতি ১০০ গ্রাম কচুশাকে থাকে- ৬.৮ গ্রাম শর্করা, ৩.৯ গ্রাম প্রোটিন, ১০ মিলিগ্রাম লৌহ, ০.২২ মিলিগ্রাম ভিটামিন বি-১ (থায়ামিন), ০.২৬ মিলিগ্রাম ভিটামিন বি-২ (রাইবোফ্লেবিন), ১২ মিলিগ্রাম ভিটামিন ‘সি’, ১.৫ গ্রাম স্নেহ বা চর্বি, ২২৭ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম এবং ৫৬ কিলোক্যালরি খাদ্যশক্তি।

উপকারিতাঃ আসুন এবার জেনে নেই কচু শাক এর উপকারিতা এবং পুষ্টিগুণের কথা-

কচু শাকে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে তাই রক্তশূন্যতায় ভোগা রোগীদের জন্য কচুশাক খাওয়া একরকম আবশ্যক বললেই চলে।
কচুশাকে ভিটামিন এ থাকে যা আমাদের রাতকানা, ছানি পড়াসহ চোখের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধসহ দৃষ্টিশক্তি বাড়িয়ে দেয়।
কচু শাকে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার বা আঁশ থাকে যা খাবারকে সহজে হজম করতে সাহায্য করে থাকে। যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা আছে, তাঁরা কচুশাক খেতে পারেন।
কচুশাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘সি’ থাকায় এর লৌহ উপাদান আপনার দেহে সহজে আত্ত

ষড়যন্ত্র দেশের একটা অবৈধ নিয়ম হয়ে গেছে

কাজী মাওঃ ফজলুল হক খান সাহেদ
ভাইস চেয়ারম্যান উপজেলা পরিষদ কুলাউড়া,
সাধারণ সম্পাদক আনজুমানে আল ইসলাহ কুলাউড়া উপজেলা।

কুলাউড়াবাসীর হ্রদয়ের মনিকোঠায় আপনি ছিলেন, আছেন এবং থাকবেন, ইনশা আল্লাহ। একমাত্র আপনি হলেন রাজনৈতিক অঙ্গনে দল-মত নির্বিশেষে সকলের সম্মান ও ভালবাসার পাত্র।
এই আকাশ চুম্বী জনপ্রিয়তা কে কোন ষড়যন্র মহল ধুলিস্যাৎ করতে পারবেনা, কারণ আপনার শক্তি সততা আর অনুপ্রেরণা, ক্ষমতা হচ্ছে জনগণ। তাই সকল বাধা অতিক্রম করে সামনের দিকে এগিয়ে যান। আমাদের বিশ্বাস এরকম সৎ, নিষ্টাবান, সচেতন ও আদর্শবান সকল গুনাবলীর অধিকারী হিসেবে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নির্ধারণ করতে কোন ভূল করেনি আপামর জনসাধারণ। বর্তমান সময়ে সমস্ত অন্যায়, অপকর্ম, অবিচার ও অপসংস্কৃতির দূর করতে আপনার মতো জনপ্রতিনিধি খুবই প্রয়োজন। খেঠে খাওয়া দারিদ্র অসহায় মানুষের বল ও জনগণে প্রকৃত সেবক হিসেবে কুলাউড়াবাসী ঐক্যবদ্ব আগামীতে আপনাকে আরো উচ্চ পদে অধিষ্টিত করতে।
মহান আল্লাহ পাকের দরবারে আপনার সুস্থতা ও নেক হায়াত প্রার্থনা করছি।

Thursday, 28 June 2018

কেন্দ্রীয় তালামীযে ইসলামিয়ার ঈদ পুনর্মিলনী

কেন্দ্রীয়  তালামীযে ইসলামিয়ার ঈদ পুনর্মিলনী।

তৃণমূলে সংগঠনের কার্যক্রম বেগবান করতে মাসব্যাপী দাওয়াতী কর্মসূচী ঘোষণা

বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়ার কেন্দ্রীয় পরিষদের ঈদ পুনর্মিলনী গতকাল ২৮ জুন ২০১৮ বৃহস্পতিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেদওয়ান আহমদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আখতার হোসাইন জাহেদের পরিচালনায় পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন,কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি দুলাল আহমদ,মুহাম্মদ মুহিবুর রহমান,সহ সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুনুর রহমান লেখন,সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুম আহমদ,প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোজতবা হাসান চৌধুরী নোমান,সহ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মুহাম্মদ উসমান গণি,অর্থ সম্পাদক ওয়ালিউর রহমান সানী,সহ অফিস সম্পাদক মোঃ লিয়াকত আলী তালুকদার,সহ প্রশিক্ষণ সম্পাদক সৈয়দ আহমদ আল জামিল,শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক খন্দকার মোহাম্মদ ওজিউর রহমান আসাদ, সহ শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মো. আব্দুল মুহিত রাসেল,তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মাহবুবুল হাসান জুয়েল,কেন্দ্রীয় সদস্য মোঃ সাইফুর রহমান চৌধুরী শিপু, মোঃ তৌরিছ আলী, সৈয়দ শাহেদুল ইসলাম,এনাম উদ্দিন আহমদ, কামাল উদ্দিন, কুমিল্লা জেলা সভাপতি রবিউল ইসলাম, সিলেট মহানগর সভাপতি মাহবুবুর রহমান ফরহাদ, সিলেট পশ্চিম জেলা সভাপতি জাহেদুর রহমান, সিলেট পূর্ব জেলা সভাপতি আব্দুল খালিক রুহিল শাহ, সুনামগঞ্জ জেলা সভাপতি রফিকুল ইসলাম তালুকদার, ময়মনসিংহ জেলা সভাপতি আব্দুল আউয়াল, সিলেট মহানগর সাধারণ সম্পাদক এস. এম. মনোয়ার হোসেন, শাবিপ্রবির সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল করিম মহসিন, সিলেট পশ্চিম জেলা সাধারণ সম্পাদক শেখ আলী হায়দার, সুনামগঞ্জ জেলার সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম, সিলেট প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি জোন সাধারণ সম্পাদক জাফরী, মৌলভীবাজার জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক রেদওয়ানুল ইসলাম ও সিলেট মহানগর সাংগঠনিক সম্পাদক আতিকুর রহমান শাকের প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে সংগঠনের কার্যক্রমকে তৃণমূল পর্যায়ে বেগবান করার লক্ষ্যে আগামী ১ জুলাই থেকে ৩০  জুলাই পর্যন্ত মাসব্যাপী দাওয়াতী কর্মসূচী ঘোষণা করা হয়। কর্মসূচীর অংশ হিসেবে উপজেলা পর্যায়ে আগামী ১৫ আগস্ট থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সদস্য প্রশিক্ষণ ও স্তর উন্নয়ন পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

কর্মসূচী সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সংগঠনের সকল পর্যায়ের দায়িত্বশীলদের সর্বোচ্চ ত্যাগের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার আহবান জানিয়েছেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেদওয়ান আহমদ চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক আখতার হোসাইন জাহেদ।

দাড়ির উপকারিতা, তাই ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী দাড়ি রাখুন এবং উপকারিতা লাভ করুন:

দাড়ির উপকারিতা, মোহাম্মদ সোবেল :
বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে অল্প অল্প দাড়ি রাখার অভ্যাস করলে একাধিক উপকার পাওয়া যায়, বিশেষত আলট্রাভায়োলেট রশ্মির ক্ষতিকারক প্রভাব যাতে ত্বকের উপর সরাসরি না পরে,সেদিকে খেয়াল রাখে দাড়ি। ফলে কোনও ধরনের ত্বকের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা যায় কমে। সেই সঙ্গে মেলে আরও অনেক উপকার। বিশ্বের বহু বিখ্যাত ব্যক্তি দাড়ি রেখেছেন। কেউ ফ্যাশনের অংশ হিসাবে দাড়ি রাখেন আবার অনেকে ধর্মীয় কারনেও দাড়ি রাখেন। তবে যে কারনে রাখা হোক না কেন দাড়ি রাখার স্বাস্থ্যগত অনেক সুফল আছে। নীচে সে বিষয় গুলো আলোচনা করা হলো :

১. গলার কোনও ধরনের রোগ হয় না:একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে দাড়ি লাগলে পরিবেশে উপস্থিত ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ারা মুখ হয়ে শরীরের অন্দরে পৌঁছাতে পারে না। ফলে গলার কোনও রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা যেমন কমে, তেমনি আরও নানাবিধ রোগও ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না।

২. ঠান্ডার থেকে রক্ষা করে: তাপমাত্রা যখন কমতে থাকে, তখন শরীরকে গরম রাখতে দাড়ি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। একাধিক কেস স্টাডি করে বিজ্ঞানীদের মনে আর কোনও সন্দেহ নেই যে, শরীরের তাপমাত্রা ধরে রাখতে বিয়ার্ড বাস্তবিকই সাহায্য করে। তাই খেয়াল করে দেখবেন ক্লিন শেভ থাকেন যারা তাদের তুলনায় দাড়িওয়ালারা কম রোগে ভুগে থাকেন। বিশেষ করে শীত প্রধান দেশে দাড়ি রাখার উপকার অনেক বেশি।

৩. স্কিন ক্যান্সারের মতো মারণ রোগ ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না: সম্প্রতি প্রকাশিত বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে দাড়ি থাকলে আলট্রাভায়োলেট রশ্মি ত্বকের সেভাবে ক্ষতি করতে পারে না, যতটা ক্লিন শেভ থাকলে করে থাকে। আর একথার নিশ্চয় সবাই জানেন যে "ইউ ভি" রশ্মির সংস্পর্শ থেকে ত্বক যত দূরে থাকবে, তত ত্বকের ক্যান্সার হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পাবে।

৪. ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা কমে:স্কিন স্পেশালিস্টরা লক্ষ করে দেখেছেন দাড়ি থাকলে ত্বকের আদ্রতা সহজে হারায় না। কারণ এক্ষেত্রে দাড়ি অনেকটা রক্ষাকবচের কাজ করে থাকে। ফলে সহজে স্কিন ড্রাই হয়ে যায় না। তাই তো যারা সারা বছরই কম-বেশি ড্রাই স্কিনের সমস্যায় ভুগে থাকেন, তারা দাড়ি রাখার কথা ভাবতেই পারেন।

৫. অ্যালার্জির প্রকোপ কমে: আপনি কি প্রায়শই ডাস্ট অ্যালার্জিতে ভুগে থাকেন? তাহলে দাড়ি রাখার কথা ভাবতেই পারেন। কারণ পরিবেশ উপস্থিত ডাস্ট পার্টিকালসগুলি যাতে নাকের মাধ্যমে শরীরের অন্দরে প্রবেশ করতে না পারে, সেদিকে খেয়াল রাখে দাড়ি। আসলে দাড়ি হল একটা প্রতিরোধ ব্য়বস্থা, যাকে ভেদ করে ধুলো-বালির পক্ষে শরীরে প্রবেশ করা সম্ভব হয় না। এখানেই শেষ নয়, বিজ্ঞানীরা লক্ষ করে দেখেছেন অ্যাস্থেমার মতো রোগের প্রকোপ কমাতেও গোঁফ এবং দাড়ি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৬. সংক্রমণের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে: আমরা দাড়ি কাটি কীভাবে? কীভাবে আবার রেজার দিয়ে। একেবারেই! আর দাড়ি কাটতে গিয়ে কেটে যাওয়াটা খুবই স্বাভাবিক ঘটনা, তাই না? সমস্যাটা হল এই ক্ষত থেকে মারাত্মক সংক্রমণ এবং তা থেকে মৃত্যু পর্যন্তও ঘটে থাকে। ভাববেন না একটুও বাড়িয়ে বলছি। গুগলে সার্চ করেও দেখতে পাবেন। এমন অনেক মানুষের নাম পাবেন যারা এমন ভাবেই সংক্রমণে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। তাই দাড়ি রাখবেন কি রাখবেন না, এই সিদ্ধান্ত আপনাদের! তবে দাড়ি রাখলে যে উপকার হয়, সে বিষয়ে নিশ্চয় আর কোনও সন্দেহ নেই।

৯. বয়স কম লাগে: অনেকেই মনে করেন দাড়ি রাখলে বুড়োটে লাগে। এই ধরণা কিন্তু একেবারে ভুল। বরং একেবারে উল্টো ঘঠনা ঘটে! আলট্রাভায়োলেট রশ্মির আঘাত কম লাগার কারণে যাদের দাড়ি রয়েছে, তাদের ত্বকের ক্ষয় কম হয়। ফলে কম বয়সীদের মতো দেখতে লাগে। তাই তো বন্ধুরা বেশি দিন পর্যন্ত যদি ত্বকের বয়স ধরে রাখতে চান, তাহলে দাড়ি রাখাটা মাস্ট কিন্তু!

 

কুলাউড়ায় আজিজ নামক ভুয়া প্রেসক্লাব সভাপতির ভন্ডামী,

২৮ জুন বৃহস্পতিবারঃকুলাউড়ায় আজিজ নামক ভুয়া প্রেসক্লাব সভাপতির ভন্ডামী,
গ্রেফতার এর দাবী, শেয়ার করুন,
কুলাউড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক এম শাকিলরশীদ
চৌধুরী। যা সবাই জানে, কিন্তু অাজ বিভিন্ন অনলাইন গণমাধ্যমে
কুলাউড়ার সৎ ও পরিচন্ন রাজনীতিবিধ কুলাউড়া উপজেলা পরিষদের
জননন্দিত ভাইস চেয়ারম্যান, কুলাউড়া বাসির আগামী দিনের আশা
আকাঙ্ক্ষা, যুব সমাজের অহংকার, সুষ্ঠ রাজনীতির এক অনন্য
দৃষ্টান্ত, ফজলুল হক খান সাহেদ সাহেবকে জড়িয়ে ভূয়া একটি
সংবাদ প্রকাশ করেছে।
সংবাদে বলা হয় আজিজ নামক স্বঘোষিত প্রেসক্লাব সভাপতিকে
নাকি তিনি তার নিজ অফিসে গিয়ে হত্যার হুমকি দিয়েছেন, অথচ
আজিজ নামাক ভুয়া সাংবাদিক অশিক্ষিতের মতো ফুলতলি সাহেবকে
কটাক্ষ করে কতা বললে সেখানে সাহেদ ভাই সহ এহসানুল মাহবুব
জাকির ভাই Md Foyjur Rahman Shahin ভাই তাকে বুঝানোর
মাধ্যমে সেখানেই এর সমাপ্তি হয়, তারপর সে উল্টা তাদেরকে
নিউজের হুমকি দেয়, এই বলে যে, সে নাকি মিডিয়ার ক্ষমতায়
চলে, তার সাথে উল্টা-পাল্টা কিছু করলে সে নাকি নিউজ ভাইরাল
করবে, তারপর থেকে এই বিতর্কিত লোকটি যা ইচ্ছা নিউজ করে
যাচ্ছে, যার কোন প্রমাণাদি এখন পর্যন্ত দিতে পারেনি, সংবাদের
লীডে সে তাকে কুলাউড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি উল্লেখ
করেছে। প্রকৃত পক্ষে সে
কুলাউড়া প্রেসক্লাব সভাপতি নয় । ভন্ড প্রতারক সে কিভাবে তাকে
সভাপতি পরিচয় দিল কুলাউড়া প্রেসক্লাবের সম্মানিত সভাপতি এম
শাকিল রশীদ চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক খালেদ পারভেজ বখস ভাই
অাইনি প্রদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানাচ্ছি।
গ্রেফতার করা হোক,

সালাফী নামক লা-মাজহাবী তৈরির কারখানা ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব আল মদিনা আল মানুয়ারা

Islamic University of Al.Madina Al Manuwarah  কী?
মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা শুনলে আমাদের মনে একটা আবেগ তৈরি হয়! কারন বিশ্ববিদ্যালয়টির অবস্থান রাহমাতুল্লিল আ'লামীনের ভুমি মদিনা আল মুনাওয়রায়!! বেশ কিছুদিন ধরে একটি প্রশ্ন বারবার মনে উঁকি দিচ্ছে!! 
১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত সালাফী তথা লা-মাযহাবীদের অন্যতম বিশ্ববিদ্যালয় Islamic University of Al Madina Al Munawarah এই পর্যন্ত কতজন বিজ্ঞানী, দার্শনিক বা বিশ্বমানের scholar সৃষ্টি করেছে? নাকি শুধুমাত্র ইসলামে ফাটল সৃষ্টির Production অহংকারী লা-মাযহাবী সৃষ্টি করা-ই তাদের মুল লক্ষ্য।
ইহুদিদের দালাল তথা সালাফী নামক লা মাজহাবীরা  ইসলামের মধ্যে ফাটলই সৃষ্টি করেছে, তাদের টার্গেদই হচ্ছে বর্তমান যুগের সকল মেধাবী শিক্ষার্থী। যাদেরকে হাতিয়ে নিতে পারলে সেসব মেধাবী শিক্ষার্থীরা সালাফীবাদ তাদের মেধা দ্বারা প্রতিষ্টিত করতে পারবে।
এটাই তাদের মুল লক্ষ্য।

আসুন এসব সালাফী নামক লা-মাজহাবীদের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াই।
ইসলামের মধ্যে ফাটল সৃষ্টিকারীদের প্রতিরোধ করি।

Wednesday, 27 June 2018

মানবিক সাহায্যের আবেদন

একটি মানবিক আবেদন।
চিকিংসা সহায়তার এগিয়ে আসুন।
লোকমান আহমদ একজন হাফিজে কুরআন। হাফিজী শেষ করে সবে মাত্র একটি মসজিদের ইমামতির দায়িত্ব নেয় সে। কিছুদিন যেতে না যেতে কন্টনালীতে টনসিল সমস্যা দেখা দেয়। প্রাথমিক ভাবে স্হানীয় হেমোপ্যাথিক ডাক্তারের চিকৎসা শুরু করে সে। ভালো হওয়ার লক্ষন না দেখে ডাক্তারের পরামর্শে বিভিন্ন পরিক্ষা নিরীক্ষার পর তার কন্টনালীতে ক্যানসার ধরা পরে। বর্তমানে নর্থইষ্ট হাসপাতালের ক্যানসার ইউনিটে সে কেমোথেরাপি দিচ্ছে। অতি দরিদ্র পরিবারের সন্তান মা-বাবা ও বেচে নেই। এ ব্যয় বহুল চিকিংসার ব্যয়ভার বহন করার মতো তার কোনো সহায় সম্বল নেই। সে সকলের সহযোগিতা নিয়ে বেচে থাকতে চায়। হাফিজ এ ছেলেটির চিকিংসা সহায়তায় এগিয়ে আসুন।
হাফিজ লোকমান আহমদ
পিতা:- মরহুম  মাছিম আলী
মাতা:- মরহুমা নবীজান বিবি
গ্রাম:- আজমতপুর, ডাক:- জালালপুর বাজার
থানা:- মোগলাবাজার, জেলা:- সিলেট।
lukman Ahmed - Dutch Bangla Bank
A/C- 134-101-151008
লোকমান মোবাইল নং 01710463648 (বিকাশ)

ইসলামী আরবী বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয় প্রতিযোগিতা -২০১৭

২৭ জুন, বুধবারঃ
আলহামদুলিল্লাহ, ইসলামী আরবী বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয় প্রতিযোগিতা -২০১৭ এর,
"""আরবী ভাষা ও ইসলামী জ্ঞান-""'এ
জালালপুর জালালীয়া সিনিয়র ফাদ্বীল মাদরাসার মেধাবী ছাত্র, হোসাইন আহমদ চৌধুরী ---প্রথম।
.
আজ, শিক্ষা-মন্ত্রী মো. নুরুল ইসলাম নাহিদ
সাহেবের হাত থেকে সম্মাননা সহ সনদপত্র গ্রহণ।
-------------------------------------------------------------
তার এই অর্জন গোঠা সিলেট বাসীর অর্জন
বলে আমি মনে করি।
হোসাইন আপনাদের কাছে দোয়া প্রার্থী।

.
রাব্বে কারীম, হোসাইন ভাইকে তুমি, একজন
হক্কানী আলিম, ও দ্বীনের খাদিম হিসেবে, কবুল কর, আমিন।

আল্লামা বড় ছহেব ক্বিবলাহ ফুলতলীর মকবুল হাতের লেখা হামদে বারি তায়ালা

________•রুহানী জগত ছাড়ি•________
কথাঃ আল্লামা বড় ছাহেব কিবলাহ ফুলতলী।

সুর ও কন্ঠঃ কবি মুজাহিদ বুলবুল।

রুহানী জগত ছাড়ি, এদেশে দিলাম পাড়ি।
চেয়ে দেখি এখানেও ঠাই মোর নাই।
প্রান পাখি কেঁদে বলে,
আমাকে এখানে ফেলে,
দয়াময় বল তুমি আছো কোন ঠাই।

দয়াময় দয়া করে বলেন অভাগা ওরে,
অন্তরের অন্তঃস্থলে আছি যে সদায়,
কখনও একেলা ফেলে,
আমিতো যাইনা চলে,
তোর সাথে বিরাজিত আছি সর্বদায়।

অথৈ সাগর তলে,
রহমান রহীম বলে,
ডাক দিলে পাবে ওরে,
আমাকে সেথায়,
ভুলিসনা তুই মোরে, আমি ভুলিবনা তোরে,
কঠিন বিপদ কালে মরণ বেলায়।

নিয়ে যাবো তাড়া করে,
আঁধার মাটির ঘরে,
পিছনে রইবে পড়ে, এ তবো সরাই,
অবুজ শিশুর মত, পার্থিবও সম্পদ যত,
ফেলে তুই যাবি চলে রহিবে সবাই।

আমাকে রাখিলে চিনে,
কঠিন হাশর দিনে,
খোঁজে তুই পাবি মোরে দিব আমি ঠাঁই,
সেই সে ভয়াল দিনে, কে তরাবে আমি বিনে,
দয়া করে মায়া ভরে পাশে দিবে ঠাঁই।

Tuesday, 26 June 2018

এম,পি মন্ত্রী না হয়ে ও মানবসেবা করা যায় যার উদাহরন আল্লামা বড় ছাহেব ক্বিবলাহ ফুলতলী (মা.জি.আ)

আলহামদুলিল্লাহ কানাইঘাট উপজেলার সাতবাক ঈদগাহ হাফিজিয়া মাদরাসায় হযরত আল্লামা বড় ছাহেব কিবলাহ ফুলতলী,ব্রাম্মনগ্রাম,কাটালপুর,জিৎপুর,সর্দারেরমাটি,শাহপুর,সোনাপুর,ডেমারগ্রাম,উত্তর মনসুরপুর,মাঝরগ্রাম,কুমাইরমাটি,মৌননগর,পশ্চিম রাজপুর,কাপ্তানপুর,দিঘীরপার,জুলাই,দোয়ারীমাটি,মানিকপুর,খুলুরমাটি, জামালপুর,কাড়াবাল্লা,সহ বেশ কয়েকটি গ্রামের ক্বারী ছাহেব, এবং গরীব ও বন্যার্তদের মাঝে নগদ টাকা,চাল,লুঙ্গি,ওড়না,ছাতা,বিস্কুট,চার্জ লাইট,গ্যাস লাইট,লাটি,মসজিদের জন্য ঝাড়ু, ইত্যাদি বিতরন করেন।
এজন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি আমাদের ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মহোদয় জনাব আলি হুসেন কাজল ভাইকে, যিনি বড় ছাহেবকে সর্বপ্রথম ত্রানের ব্যাপারে  অবগত করেছিলেন।

হে আল্লাহ বড় ছাহেবের এ খিদমাতকে কবুল করুন।

তালামীযে ইসলামিয়ার কেন্দ্রীয় সভাপতিকে নিয়ে সিলেট পুর্ব জেলার সভাপতির লেখা অসাধারন কবিতা।

"একজন রেদওয়ান ভাই"
----------------------------------------
''আপনার ঐ মুখ খানি
আমাদের প্রিয়,
হাজারো নেতার থেকে
আপনি যে শ্রেয়।''
-----------------------------------------
দুঃখ বলার মত জায়গা আপনি
আবার সুখের রঙ্গিন বিলাস মঞ্জিল,
কারন আন্তরিকতার সাথে আপনার কাছে নিজেকে অতি সহজে সমর্পন করা যায়,
মিশে একাকার হওয়া যায় পানি যেমন মিশে পানির সাথে।
প্রিয় নেতা আপনার গুণগানের কথা কি বলবো ঠোঁট যে কেঁপে উঠে,
বিন্দু থেকে যেমন একটা রূপ ধীরে ধীরে সিন্দুতে গড়ে উঠে,
আবার সিন্দু থেকে পরিনত হয় সীমার মাঝে এক অসীমত্বের,
তেমনি হে প্রিয় নেতা আপনি শূণ্য পর্যায় থেকে অতি ধৈর্যের সাথে ঈমানী তেজস্বী চেতনা ও আত্ম বিশ্বাস নিয়ে প্রাথমিক পর্যায় হতে ধাপে ধাপে কেন্দ্র পর্যায় পর্যন্ত অতি সাফল্যের সাথে উঠে এসেছেন,
আর ধাপে ধাপে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করে দুই দুই বারের কেন্দ্রীয় সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন,
আর ভাগ্যের দৌড়ে আমরাও পেয়েছি প্রিয় নেতা এবং প্রিয় অভিভাবক।
আপনার হাতেই প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইসলাম তথা হক্ব আক্বিদার সত্যের ঝান্ডা।
আপনার পবিত্র হাতের স্পর্শে কলেজ, ভার্সিটি, মেডিকেল কলেজসহ দেশের বিভিন্ন জেলা তথা সমাজের কোষে কোষে পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছেন সুন্নিয়তের শাশ্বত পয়গাম,
প্রাণ ফিরে পেয়েছে ঘুঁণে ধরা সভ্যতায়ও।
আর সুখে দুঃখে ডাক দেয়ার আগেই ছাঁয়ার মত আমাদের পাশে পেয়েছি,
বাতিলের মোকাবেলায় সিংহের মত হাঁক দিয়েছেন রাজ পথে,
ওদিকে আপনার দৃষ্টিপাতে বাতিলেরা লেজ গুটিয়ে পিছন হটেছে তালামীয কর্মীরা তার সাক্ষী,
তালামীযের অমর ইতিহাস তা বহন করবে যুগযুগ অনন্তকাল ভালবাসা ও বিশ্বাসের সাথে।
আর তার প্রসব হবে কালের যৌনিতে চেতনার হিম্মত নিয়ে নব যোদ্ধার সাহস যোগাতে।
আপনার আন্তরিক প্রচেষ্টার ফসল আজ বাংলার আনাচে কানাচে লক্ষ কোটি বীর মোজাহিদ কর্মী।
আপনার সাথে পথ চলা  এ যে স্মৃতির পাতায় ভালবাসার এক বন্ধঁনী আল্পনা আঁকা সম।
আমরা বার বার চাই দায়িত্ব নিয়ে আমাদের মাঝে অমর হয়ে থাকেন,
আর যখন আমরা রাজপথ থেকে ক্লান্ত অলস বিভোর হয়ে ঝরে পড়ব,
তখন যেন জীর্ণ চিত্তে চেতনা যোগাতে আমাদের হাত ধরে সামনে যাওয়ার প্রেরনা দেন হাসি মুখে এই আশাবাদী সারাদেশের তালামীয কর্মীরা।
বিশেষ করে আমি বলতে চাই যে, রাসূলের সুন্নত আদায় করতে গিয়ে যখন বিবাহ বন্ধঁনে আবদ্ধ হতে চলেছেন,
তখন ও দেখেছি রাসূলের আদর্শকে আঁকড়ে ধরে টাকনুর উপরে পা-জামা পরেছেন,
এখান থেকে শিক্ষা দিলে যে তালামীয কর্মীরা শুধু মুখে নয় বাস্তবেও ইসলামকে বুকে লালন করে।
আমরা লক্ষ্য করেছি আপনার বিবাহোত্তর ওয়ালিমা অনুষ্টানে ছাহেবজাদাগণ ও নাতীগণ এতো বড় মর্যাদার অধিকারী হয়েও নিজ হাতে সবাইকে খাওয়াচ্ছেন,
মিশে গেছেন সাধারণদের মাঝে এক অসাধারন আমিরগণ।
এর চেয়ে বেশি গৌরবময় বিষয় আর কি বা হতে পারে...?
ধন্য আমরা চির ধন্য এমন একটা মসলকের সঠিক রশি ধরে আঁকড়ে আছি।
অবশেষে একটা কথা বলতে চাই যে,
আল্লাহ যেন সারা জীবন সত্যের ঝান্ডা হাতে আপনার ভালবাসার ছাঁয়ার নিচে আমাদের রাখেন,
তার সাথে আপনার দাম্পত্য জীবনের সুখ শান্তি কামনা করি।
সালাম লও হে প্রিয় নেতা সালাম লও হৃদয়ের মঞ্জিল থেকে হাজার কোটি ভালবাসা মাখা সালাম।

লেখক:
মুহাম্মদ আব্দুল খালিক রুহিল শাহ
সভাপতি
সিলেট (পূর্ব) জেলা তালামীয।

ছাত্রদল নেতা ফারদিন খাঁনের ঈদ শুভেচ্ছা

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সকল নেতাকর্মী সহ ফেঞ্চুগঞ্জবাসী-কে পবিত্র ঈদুল আযহা’র শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদল নেতা ...