Thursday, 16 July 2020

হারিয়ে যেতে চাই প্রকৃতির মাঝে


বন, পাহাড়, নদী, সাগর, দ্বীপ কি নেই আমদের বাংলাদেশে? অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি এই বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি জেলাতেই রয়েছে বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান। রয়েছে সমুদ্র সৈকত, প্রবাল দ্বীপ, পাহার, নদী, বন, পার্ক সহ ঐতিহাসিক বহু স্থাপনা ও নিদর্শন। দেশ-বিদেশের ভ্রমণ পিপাসু লক্ষ লক্ষ পর্যটক সারাদেশের দর্শনীয় স্থানগুলোর সৌন্দর্য্য উপভোগ করেন সারাবছর ধরে।

দেশের অসংখ্য দর্শনীয় স্থানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি’র কথা আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। সময় ও সুযোগ হলে, আপনিও ঘুরে আসতে পারেন দারুন ঐসব জায়গাগুলো থেকে।

১. কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতঃ বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত। পাহাড়ঘেরা কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক বালুময় সমুদ্রসৈকত। প্রতিদিন প্রতিক্ষণ এর রূপ পরিবর্তন হয়। শীত-বর্ষা-বসন্ত-গ্রীস্ম সহ এমন কোন মৌসুম নেই, যখন এই সমুদ্র সৈকতের চেহারা মিল খুঁজে পাওয়া যায়।

কক্সবাজার সমূদ্র সৈকত; ছবিঃ ইউটিউব

১২০ কিঃমিঃ দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট এ সমুদ্র সৈকতের প্রধান বৈশিষ্ট হলো পুরো সমুদ্র সৈকতটি বালুকাময়। বালিয়াড়ি সৈকত সংলগ্ন শামুক ঝিনুক সহ নানা প্রজাতির প্রবাল সমৃদ্ধ বিপণি বিতান, অত্যাধুনিক হোটেল মোটেল কটেজ, নিত্য নব সাজে সজ্জিত বার্মিজ মার্কেট সমূহে পর্যটকদের বিচরণে কক্সবাজার শহর পর্যটন মৌসুমে থাকে ব্যাপক প্রাণচাঞ্চল্য।

২. সুন্দরবনঃ সুন্দরবন হলো বঙ্গোপসাগর উপকূলবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত একটি প্রশস্ত বনভূমি যা বিশ্বের প্রাকৃতিক বিস্ময়াবলীর অন্যতম। গঙ্গা, মেঘনা ও ব্রহ্মপুত্র নদীত্রয়ের অববাহিকার বদ্বীপ এলাকায় অবস্থিত এই অপরূপ বনভূমি বাংলাদেশের খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলা এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দুই জেলা উত্তর চব্বিশ পরগনা ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জুড়ে বিস্তৃত। সমুদ্র উপকূলবর্তী নোনা পরিবেশের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন হিসেবে সুন্দরবন বিশ্বের সর্ববৃহৎ অখণ্ড বনভূমি। সুন্দরবনকে জালের মত জড়িয়ে রয়েছে সামুদ্রিক স্রোতধারা, কাদা চর এবং ম্যানগ্রোভ বনভূমির লবণাক্ততাসহ ক্ষুদ্রায়তন দ্বীপমালা।


বন, পাহাড়, নদী, সাগর, দ্বীপ কি নেই আমদের বাংলাদেশে? অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি এই বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি জেলাতেই রয়েছে বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান। রয়েছে সমুদ্র সৈকত, প্রবাল দ্বীপ, পাহার, নদী, বন, পার্ক সহ ঐতিহাসিক বহু স্থাপনা ও নিদর্শন। দেশ-বিদেশের ভ্রমণ পিপাসু লক্ষ লক্ষ পর্যটক সারাদেশের দর্শনীয় স্থানগুলোর সৌন্দর্য্য উপভোগ করেন সারাবছর ধরে।

দেশের অসংখ্য দর্শনীয় স্থানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ১০ টি’র কথা আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। সময় ও সুযোগ হলে, আপনিও ঘুরে আসতে পারেন দারুন ঐসব জায়গাগুলো থেকে।

১. কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতঃ বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত। পাহাড়ঘেরা কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক বালুময় সমুদ্রসৈকত। প্রতিদিন প্রতিক্ষণ এর রূপ পরিবর্তন হয়। শীত-বর্ষা-বসন্ত-গ্রীস্ম সহ এমন কোন মৌসুম নেই, যখন এই সমুদ্র সৈকতের চেহারা মিল খুঁজে পাওয়া যায়।

কক্সবাজার সমূদ্র সৈকত; ছবিঃ ইউটিউব

১২০ কিঃমিঃ দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট এ সমুদ্র সৈকতের প্রধান বৈশিষ্ট হলো পুরো সমুদ্র সৈকতটি বালুকাময়। বালিয়াড়ি সৈকত সংলগ্ন শামুক ঝিনুক সহ নানা প্রজাতির প্রবাল সমৃদ্ধ বিপণি বিতান, অত্যাধুনিক হোটেল মোটেল কটেজ, নিত্য নব সাজে সজ্জিত বার্মিজ মার্কেট সমূহে পর্যটকদের বিচরণে কক্সবাজার শহর পর্যটন মৌসুমে থাকে ব্যাপক প্রাণচাঞ্চল্য।

২. সুন্দরবনঃ সুন্দরবন হলো বঙ্গোপসাগর উপকূলবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত একটি প্রশস্ত বনভূমি যা বিশ্বের প্রাকৃতিক বিস্ময়াবলীর অন্যতম। গঙ্গা, মেঘনা ও ব্রহ্মপুত্র নদীত্রয়ের অববাহিকার বদ্বীপ এলাকায় অবস্থিত এই অপরূপ বনভূমি বাংলাদেশের খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলা এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দুই জেলা উত্তর চব্বিশ পরগনা ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জুড়ে বিস্তৃত। সমুদ্র উপকূলবর্তী নোনা পরিবেশের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন হিসেবে সুন্দরবন বিশ্বের সর্ববৃহৎ অখণ্ড বনভূমি। সুন্দরবনকে জালের মত জড়িয়ে রয়েছে সামুদ্রিক স্রোতধারা, কাদা চর এবং ম্যানগ্রোভ বনভূমির লবণাক্ততাসহ ক্ষুদ্রায়তন দ্বীপমালা।

সুন্দরবনের রয়েল বেঙ্গল টাইগার; ছবিঃ উইকিপিডিয়া

সুন্দরবনে রয়েল বেঙ্গল টাইগার, গণ্ডার, চিতাবাঘ, হরিণ, বানর, কচ্ছপ, কুমির সহ নানান প্রজাতির পাখি দেখতে পাওয়া যায়। ১০,০০০ বর্গ কিলোমিটার জুড়ে গড়ে ওঠা এই সুন্দরবনের ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার রয়েছে বাংলাদেশে এবং বাকি অংশ রয়েছে ভারতের মধ্যে। ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে সুন্দরবনকে স্বীকৃতি দেয়।

৩. সেন্টমার্টিন দ্বীপঃ সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত টেকনাফ উপজেলার একটি ইউনিয়ন। এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ এবং বাংলাদেশের সর্ব-দক্ষিণের ইউনিয়ন। এ দ্বীপের অপর নাম নারিকেল জিঞ্জিরা।সেন্টমার্টিন ইউনিয়নের আয়তন ১৯৭৭ একর (৮ বর্গ কিলোমিটার)। উপজেলা সদর থেকে এ ইউনিয়নের দূরত্ব প্রায় ৪২ কিলোমিটার। এ ইউনিয়নের চতুর্দিকে বঙ্গোপসাগর, তবে উত্তরে টেকনাফ উপজেলার মূল ভূখণ্ডের সাবরাং ইউনিয়ন এবং পূর্বে মায়ানমারের মূল ভূখণ্ডের রাখাইন প্রদেশ অবস্থিত।


সেন্টমার্টিন প্রবাল দ্বীপের একাংশ; ছবিঃ গুগল ইমেজ

৪. রাঙামাটিঃ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরা পার্বত্য চট্টগ্রামের জেলা রাঙামাটি। কাপ্তাই লেকের বুকে ভেসে থাকা ছোট্ট জেলা শহর আর আশপাশে সর্বত্রই রয়েছে অসংখ্য বৈচিত্র্যময় স্থান। এখানকার জায়গাগুলো বছরের বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন রূপে সাজে। তবে বর্ষার সাজ একেবারেই অন্যরূপ।

কাপ্তাই লেক; ছবিঃ উইকিপিডিয়া

৫. পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারঃ পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার। পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপাল দেব (৭৮১-৮২১) অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন। ১৮৭৯ খ্রিস্টাব্দে স্যার আলেকজান্ডার কানিংহাম এই বিশাল স্থাপনা আবিষ্কার করেন। পাহাড়পুরকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বৌদ্ধবিহার বলা যেতে পারে।

পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার; ছবিঃ উইকিপিডিয়া

আয়তনে এই মহাবিহারের সাথে ভারতের নালন্দা মহাবিহারের তুলনা করা যেতে পারে। এটি ৩০০ বছর ধরে বৌদ্ধদের অতি বিখ্যাত ধর্ম শিক্ষাদান কেন্দ্র ছিল। শুধু উপমহাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকেই শুধু নয়, চীন, তিব্বত, মায়ানমার (তদানীন্তন ব্রহ্মদেশ), মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া প্রভৃতি দেশের বৌদ্ধরা এখানে ধর্মজ্ঞান অর্জন করতে আসতেন। বাংলাদেশের বৃহত্তর রাজশাহীর অন্তর্গত নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলার পাহাড়পুড় গ্রামে এই বিহার অবস্থিত। পার্শ্ববর্তী সমতল ভূমি থেকে প্রায় ৩০.৩০ মিটার উঁচুতে অবস্থিত পাহাড়সদৃশ স্থাপনা হিসেবে এটি টিকে রয়েছে।

৬. মহাস্থানগড়ঃ ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন এই পুরাকীর্তিটি মহাস্থানগড় বগুড়ায় অবস্থিত। পুন্ড্রবর্ধনের রাজধানী ছিল বর্তমান বগুড়া মহাস্থানগড়। মৌর্য, গুপ্ত, পাল এবং সেন আমলেও বগুড়ার বিশেষ প্রশাসনিক গুরুত্ব ছিল। বর্তমান বগুড়া জেলার করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে এটির অবস্থিত এই গড়।





ছাত্রদল নেতা ফারদিন খাঁনের ঈদ শুভেচ্ছা

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সকল নেতাকর্মী সহ ফেঞ্চুগঞ্জবাসী-কে পবিত্র ঈদুল আযহা’র শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদল নেতা ...